Braking News

6/recent/ticker-posts

শিক্ষকদের সম্মান ও আর্থিক উন্নয়নে সরকারি বিবেচনা প্রসঙ্গে



শিক্ষকরা মানুষ গড়ার কারিগর। তারা এমন কাজ কেন করতে যাবেন যার জন্য শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মানববন্ধন করতে হবে, স্মারকলিপি দিতে হবে। বিগত কয়েক বছর ধরে লক্ষ্য করা যাচ্ছে, মাধ্যমিক স্তরের কতিপয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বাধ্যতামূলক কোচিং, পাবলিক পরীক্ষায় ফরম ফিলাপে অতিরিক্ত ফি আদায় এবং বর্ধিত বেতন ও সেশনচার্জ আদায়ের জন্য মাউশি, শিক্ষা মন্ত্রণালয় হতে প্রজ্ঞাপন এমনকি মহামান্য হাইকোর্ট নির্দেশনা জারি করতে হয়েছে এহেন কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার জন্য।

সমাজও রাষ্ট্র অন্তত শিক্ষকদের কাছ থেকে এ ধরনের কাজ প্রত্যাশা করে না। বর্তমান সরকার শিক্ষাক্ষেত্রে যে সকল যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে তাতে প্রতীয়মান হয়, নিজেদের মর্যাদাকে ভূলুণ্ঠিত করে অভিভাবকদের পকেট থেকে এভাবে টাকা আদায়ের প্রয়োজন নেই।

যে সরকার সারাদেশের প্রাথমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে জাতীয়করণ করতে পারে, প্রতি উপজেলায় একটি করে মাধ্যামিক বিদ্যালয়কে সরকারিকরণের উদ্যোগ নিতে পারে, প্রাথমিক ও মাধ্যামিক স্তরের সকল শিক্ষার্থীর হাতে বছরের প্রথম দিন বিনামূল্যে বই তুলে দিতে পারে, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের শতভাগ বেতনরাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে দিতে পারে সেই সরকার শিক্ষকদের সম্মান ও আর্থিক উন্নয়নে সদয় বিবেচনা করবে এটি স্বাভাবিক প্রত্যাশা। তাই আসুন, আমরা নিজেরা সমস্যার কারণ না হয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে সমস্যা দূর করি।

Post a Comment

0 Comments